Followers

Saturday, June 12, 2021

Peral - এর বেলের আবেদন খারিজ করলো VASAI COURT ;


 কলমে - Shrestha Dey

Pearl V Puri Case - এ নতুন মোড় । ১১ বছরের নাবালিকাকে molestation এর অপরাধে Pearl -কে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয় ও 5th June Vasai Court -এ পেশ করা হয়। সেখানে তিনি তার বেলের আর্জি জানান , যদিও তা তৎক্ষণাৎ খারিজ করা হয় ‌। ANI report অনুযায়ী, সেদিন (5th June) দুপুরেই Pearl -কে Judicial Custody -তে পাঠানো হয় সেখানে তিনি আবারো বেলের আর্জি জানান , যার রায় বেরোয় গত 11th June। এই শুনানিতে আবারও তার বেল খারিজ হয় ও পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক হয় 15th June ।
এরূপ বারংবার বেল খারিজ হওয়ার পরেও Pearl -এর বিশিষ্ট বন্ধু মহল -- Ekta Kapoor, Nia Sharma, Karishma Tanna, Surbhi Jyoti, Aly Gony , Diviya Khosla Kumar এর মত খ্যাতনামা অভিনেতা - অভিনেত্রী এবং তার ফ্যেনরা সোশ্যাল মিডিয়ায় #IStandWithPearl এর মধ্য দিয়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছে তথাপি Pearl এর ন্যায়ের দাবিতে অনড় রয়েছেন । কিন্তু এখন প্রশ্ন হল Pearl যদি নির্দোষ হয়ে থাকেন তাহলে তার মতো একজন talented এবং ‌ famous অভিনেতা একাধিকবার কোর্টে বেলের এর আর্জি জানানো সত্ত্বেও তা খারিজ করা হচ্ছে কেন ? তাহলে কি Pearl -কে ইচ্ছাকৃত ফাঁসানো হচ্ছে ?! নাকি সত্যিই তার against -এ কোনো strong proof হাতে পেয়েছে পুলিশ ??!!!
যাই হোক, এর উত্তর আমাদের কাছে এখনো অজানা । সত্যিটা জানতে মুখিয়ে আমরা সবাই, তবে আপাতত পরবর্তী শুনানিই (15th June) ভরসা...
(Your's Letter's সর্বদাই চাইছে সমস্ত সত্য ঘটনা সামনে আসুক , দোষীর শাস্তি পাক এবং নির্দোষের মুক্তি হোক ।) ছবি - Goole থেকে নেওয়া ।

শিশু শ্রম দিবস : ACT NOW : END CHILD LABOUR

 লেখায় - জয়দীপ পাল ।


 রাতের অন্ধকার এখনো যায়নি , ভোরের আলোর আভাফুটচ্ছে সবে সাইকেলের ঘন্টা বাজাতে বাজাতে শুভ চললো সকালের তাজা সংবাদ প্রতি বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে । এটা তার রোজকেরে কাজ তা নাহলে তার পেট চুপ থাকবে না । বাড়িতে তার 'মা' আছে , মা বাড়ি বাড়ি কাজ করে বেড়ায় সে পয়সায় তাদের সংসার ঠিক ঠাক চলে না । তাই সে নিজের পড়ার খরচ টা এই পেপার বিক্রির মাধ্যমেই চালিয়ে নেয় , বাকি টা সে বাড়িতে দিয়ে দেয় । বাবা কে ছোটো বেলা থেকেই দেখেনি । এত কিছুর করার পর সে কিন্তু কোনো দিনও পড়তে দেরিতে আসেনি আর স্কুল টা ছিলো তার কাছে শিক্ষার ভান্ডার ।যে ছাত্রটি তাড়াহুড়ো করে নিজের খরচায় নিজের জেদে নিজের খরচায় , ঘরের সব কাজ সামলে পড়তে আসে, সে সেখার জেদ নিয়ে অনেকদূর যাবে । এরকমই এক ছেলে কলকাতার শুভ । 
একেবারে পশ্চিমে মহারাষ্ট্রের ১২ বছরের ছেলে কারন ঘুম থেকে ওঠে সূর্যের ঘুম ভাঙার আগেই । সে দিনে আট ঘন্টা, ইট ভাঙা এবং সিমেন্টের কাজ করে দিনে ৩০০ টাকার বেশি রোজগার করতে পারে না । তাঁর বাড়িতে ৫৬ বছর বয়সী 'মা' সান্তা কোভিডের কারনে কাজ হারায় । ফলে তাকে সংসারের সাহায্যের জন্য জোড় পূর্বক কাজে যেতে হয় । সে রোজ স্কুলে যেতে ভালোবাসত। কিন্তু কোভিডের কারনে তাঁর আর স্কুলে যাওয়া হয়না । সে ভূ-গোল নিয়ে পড়তে চায় , জানতে চায় সারা বিশ্ব কে , সে শিখতে চায় এই পৃথিবীকে । কারান বলে যখন আবার স্কুল চালু হবে তখোন স্কুলে যাবো পৃথিবীর যত কিছু অজানা জিনিস আছে সব জানবো । তার এই জানার ইচ্ছাই তাকে এক বৃহৎ মানুষে পরিনত করে তুলবে । 

বর্তমান সময়ে কোভিড প্যান্ডেমিকের কারনে বহু মানুষের চাকরি চলেগেছে অনেকে হারিয়েছে তাদের পিতা , মাতা , প্রিয় জনদের । আবার যাদের চাকরি আছে তাদের উপর মহল থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কাল কোম্পানির লাভ না হলে , মাইনে না দেওয়ার কারনে চাকরি নাও থাকতে পারে । এই সময় দাঁড়িয়ে কিছু মধ্যবিত্ত ও গরীব ছেলে-মেয়েরা নতুন প্রযুক্তির সাথে তালমিলিয়ে ইন্টারনেট ব্যাবস্থার মাধ্যমে পড়াশোনা করার উপোযগী হয়ে উঠছে না, তাদের পরিবার থেকে স্মার্ট ফোন কিনে দেওয়ার সামর্থ নেই । এছাড়া বাবা - মায়ের চাকরি চলে যাওয়া এবং কোভিডের জন্য পরিবারের অর্থ উপার্জন কারির অকাল মৃত্যু হওয়ায় স্কুলের ফিস বা ইন্টারনেট সংযোগের যথাযথ ব্যবস্থা করে উঠতে পারছেনা । ডাইরেক্টর অফ চাইল্ড কেয়ার Kreeanne Rabadi একটি বিবৃতিতে বলেন যখন আবার স্কুল চালু হবে তখন প্রচুর সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী কে স্কুলে দেখা যাবে না , কারন তারা শ্রমে নিযুক্ত হয়ে গেছে । 

কলকাতা , মুম্বাই , চেন্নাই এই সকল মেট্রোপলিটন শহর গুলিতে - রেস্তোঁরা , সাফাই কর্মী , সবজি বিক্রেতা , ট্রেনে / বাসে হকার , চামড়ার কাজ , গার্মেন্টসের কাজ প্রভৃতি কাজ করে তাঁরা তাদের পরিবারে মুখে একটা হাঁসির রেষ নিয়ে আসত । আজ তারা এই মহামারীর কাছে হার মেনে নিয়েছে। কিন্তু তাদেত সন্তান - সন্ততিরা পরিবারের কথা ভেবে নিজের শিশু সুলভ মানসিকতাকে দূরে সরিয়ে রেখে , নিজের জীবন কে বাজি রেখে আজ তারা তাদের বাবা - মায়ের পরিচিত পেশায় নিযুক্ত হয়েছে । এর ফল স্বরূপ তারা শিক্ষা বিমুখ হয়ে শ্রম সম্মুখ হয়ে পড়ছে যথাযথ ভাবেই । 

মহামারীর কারনে সারা ভারতর্ষে বিদ্যালয় গুলি বন্ধ থাকে । প্রভাব স্বরূপ ২৮৬ লক্ষ্য শিশু (৪৮ শতাংশ বালিকা ) যারা প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক স্থর থেকেই বিদ্যালয় ছেড়ে দেয় । ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির সাহা্য্যে মানিয়ে নিতে পারলেও বাকি ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির সাথে তাল মেলাতে না পেরে তুলামূলক কম জ্ঞান অর্জন করছে । 

International child Labour Organisation (ILO) এবং UNICEF দুটি সংস্থার রিপোর্ট ২০২০ সালের অনু্যায়ী সারা বিশ্বে ১৬০ মিলিয়ন শিশু তার মধ্যে ৬৩ মিলিয়ন ছেলে এবং ৯৭ মিলিয়ন মেয়ে শ্রমের মাধ্যে নিযুক্ত আছে , যারা ইট, পাথর ভাঙা , সিমেন্টের কাজ প্রভৃতি করে থাকে । ১৬০ মিলিয়ন শিশুর মধ্যে রয়েছে যাদের বয়স ৫-১১ বছরের মধ্যে তাদের সংখ্যা ৮৯.৩ মিলিয়ন , ১২-১৪ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা   ৩৫.৬ মিলিয়ন , ১৫-১৭ বছর বয়সী বয়স্কদের সংখ্যা ৩৫ মিলিয়ন । 

আমাদের দেশ ভারতর্ষে শিশু শ্রমের পরিসংখ্যান টা ক্রমশই উর্দ্ধমুখীতে থাকে । আফ্রিকাতে শিশু শ্রমের পরিসংখ্যান টা ২০২০ সালের গননা অনু্যায়ী ৭২ মিলিয়নে পৌঁচেছে আর এশিয়া মহাদেশে এই সংখ্যা টা দাঁড়িয়েছে ৬২ মিলিয়নের কাছাকাছি । শিশুদের কি দিয়ে যে কঠিন থেকে কঠিনতর কাজ গুলি করানোর ফলে সাময়ীক ভাবে তারা অর্থের বিনিময়ে হাঁসি খুশি থাকলেও , তাদের ভবিষ্যতে মানসিক বিক্রতী বা পঙ্গুত্বের সম্ভাবনা থেকে যায় । এই সব দিক গুলির কথা মাথায় রেখে International child Labour Organisation (ILO) এবং UNICEF নামক দূটি সংস্থা যৌথভাবে ১৯৯২ সালে শিশু শ্রমের জন্য প্রতিরোধ দিবস পালোনের সিদ্ধান্ত নেয় । সে অনুযায়ী ১২ ই জুন থেকে ILO বিভিন্ন কর্ম সূচির মাধ্যমে এই দিনটি কে পালোন করে থাকে । তাই প্রতিবছরের মত এবারের শিশুদের কে শ্রমের হাত থেকে রক্ষা করতে আমাদের সবার মন্ত্র হয়ে উঠুক " শিশু শ্রম শেষ হোক "। 

#Endchildlabour2021

Thursday, June 10, 2021

পিছিয়ে গেলাম" বছর দুই আগে"


 আজ থেকে 2বছর আগে।সালটা 2019, 10 June সকলের নিশ্চয়ই মনে আছে প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির মর্মান্তিক ঘটনার সম্পর্কে। অনেকেই হয়তো ভুলে গেছেন তাহলে মনে করিয়ে দিই প্রিয়াঙ্কা রেড্ডি ধর্ষণকাণ্ডে গণধর্ষণ করা হয়।সেই সময় সাধারণ মানুষ সাহায্য করে প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির ন্যায়বিচারের জন্য। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা রেড্ডি কী ন্যায়বিচার পেয়েছে?। #justiceforPriyankaReddy প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির ঘটনায় ধর্ষণকারীদের গুলি করে শাস্তি দেওয়া হয়। অনেকেরই মনে হচ্ছে যে দু'বছর পরে এ কথা উঠছে কেন! উঠছে কারণ আমাদের সমাজ উন্নত হলেও, সমাজের মানুষ উন্নত হলেও, সমাজের নিয়ম উন্নত হলেও, কিছু কিছু আইনের বদল করা উচিত।

আপনারা কি জানেন আফগানিস্তানের ধর্ষণের ফলে শাস্তি কি ?! শাস্তি হলো যে ব্যক্তি ধর্ষন করেছেন তৎক্ষণাৎ তাকে সার্বজনীক ভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়, সৌদি আরব নামে বিখ্যাত দেশে ধর্ষণের হার খুব কম কেন জানেন ধর্ষণকারীদের সবার সামনে গলা কেটে শাস্তি দেয়া হয় এবং মাথাটা আবার সেলাই করে দেওয়া হয় তার শরীরের সঙ্গে। চীন দেশে ধর্ষণকারীর গোপনাঙ্গ বিকৃতি করে দেয়া হয় এবং সার্বজনীক ভাবে গুলি করে শাস্তি দেওয়া হয়, ইজিপ্টে সার্বজনীনভাবে ফাঁসি শাস্তি দেয়া হয়, উত্তর কোরিয়ার গুলি করে শাস্তি দেওয়া হয়। কেন করা হয় সার্বজনীক ভাবে এটা ভেবে দেখেছেন! এই সব দেশে মনে করা হয় এই ভাবে শাস্তি দেয়া হয় কোন ধর্ষণকারীকে, তাহলে পরবর্তী কেউ ধর্ষণ করার আগে এই দৃশ্য ভাবতে তাকে বাধ্য করবে। যার জন্য এসব দেশে ধর্ষণের হার অনেক কম বা হয়না বললেই চলে। কিন্তু আমাদের গণতান্ত্রিক দেশে একটি মেয়ের ন্যায় পেতে কখনো 9 বছর লেগে যায় , আবার কখনো ধর্ষণকারীর পিতা রাজনৈতিকভাবে উচ্চপদস্থ হওয়ার ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে। কখনো শুধু মোমবাতি মিছিল হচ্ছে। কখনো সবাই চুপ করে যাচ্ছে। আজ ধর্ষণের case খুজঁলে দেখা যাবে শত শত case বদ্ধ হয়ে পড়ে আছে, ন্যায় মেলেনি আজও। অনেক ক্ষেত্রে ধর্ষণকারী পড়ে না ধরা। কত পরিবার তার সন্তানকে হারিয়েছে, কতজন তার প্রিয় মানুষকে।শুধুমাত্র এই ধর্ষণের ফলে।
আমাদের ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী 2013 সালের আগে ধর্ষণকারীর শাস্তি হতো 14বছর জেল,কিন্তু 2013 সালে ''India Antirapbill '' আইন পাশ হওয়ার পর তা বেড়ে 20 বছর করা হয় এবং ধর্ষণকারী দোষী প্রমাণিত হলে তাকে ফাঁসি দেয়া হয়।
আমাদের ভারতের প্রতি 6 মিনিট অন্তর একটি করে ধর্ষণ হয়। সারাবছর প্রায় অগুনতিক case ফাইল করা হয় পুলিশ স্টেশনে।।
শুধুমাত্র দেশকে দেখানোর মতো উন্নত করলে হবে না, দেশকে ভিতর থেকেও উন্নত করতে হবে।
কলমে - Mou parui

Wednesday, June 9, 2021

ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হলো PEARL V PURI কে

 


Harassment এর অপরাধে গ্রেফতার করা হলো Pearl V Puri - কে । সূত্রের খবর অনুযায়ী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোন এক অভিনেত্রীর মেয়ে তার‌ সাথে সেলফি তুলতে চায় এবং তিনি মেয়েটিকে vanity তে ডাকেন ও তাকে harass করেন। মেয়েটি বাড়ি ফিরে খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দেয়, তার থেকে যখন বারবার কারণ জানতে চাওয়া হয় তখন সেই ঘটনা বলে। তৎক্ষণাৎ তার মেডিকেল টেস্ট করানো হয় এবং ব্যাপারটি সত্য প্রমাণিত হয়। সেদিন রাতেই CR IPC 376 AB, r/w POCSO Act 4, 8, 12,19,21 ধারা অনুযায়ী পুলিশ Pearl কে গ্রেপ্তার করে ।
যদিও ইন্ডাস্ট্রির একাংশের মতানুযায়ী তিনি এ কাজ করতেই পারেন না। Pearl কে সমর্থন করে নতুন ট্রেন্ড শুরু হয় #istandwithpearl । Diviya Khosla Kumar সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি বড় লেখা পোস্ট করে পুরো ঘটনাটি জানাতে গিয়ে বলেন এটি নাকি ২ বছর আগেকার ঘটনা । তাহলে তার উত্তরে বলা চলে ২ বছর আগেকার ঘটনা এখন কেন উঠছে ? এই ঘটনার বিচার আগে কেন হয়নি ? মেয়েটির মেডিকেল রিপোর্ট তো মিথ্যে নয় ?!! ঘটনা তো নিশ্চয়ই কিছু ঘটেছে এবং 11 বছরের বাচ্চা মেয়েটিকে molest করা হয়েছে । diviya-র বক্তব্য অনুযায়ী তাহলে আমরা কী ধরে নেব মেয়েটি দু'বছর আগে harassed হয়েছে আর দু'বছর পর টেস্ট করা হলো ? নাকি দু বছর আগে টেস্ট এর ভিত্তিতে এখন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে ? নাকি পুরোটাই মিথ্যে, সাজানো এবং 11 বছর বয়সের একটা বাচ্চা মেয়ের মিথ্যে বলছে, তার মেডিকেল টেস্ট মিথ্যে বলছে ? কোনটা ?!! যদি ঘটনাটা দু'বছর আগে ঘটে থাকে তাহলে কেন কোনো নিউজ চ্যানেলে দেখানো হলো না ? সম্ভাবনা যাই হোক না কেন পুলিশের উপর প্রশ্ন চিহ্ন তো উঠেছেই । কেন কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ তখনই নেওয়া হলো না ?? ভারতবর্ষের নাবালিকারাও কি তাহলে সেই নিরাপদ না।!
সমাজের মূল স্রোতের মানুষদের সাথে যদি এরকম ঘটনা ঘটে তাহলে সাধারণ মধ্যবিত্ত , নিম্ন মধ্যবিত্ত ও গরিব পরিবারের মহিলা ও শিশুদের কি হবে। তাদের নিরাপত্তা কোথায়।


বিঃ দ্রঃ :- Pearl কে‌ দোষী সাব্যস্ত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আসল সত্যকে সামনে এনে অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
কলমে- Shrestha Dey

Thursday, June 3, 2021

এক অদৃশ্য মেয়ে , তাঁর ট্রেনের সাথে খেলা

 (ছবি - সংগৃহীত )

ভূত এই শব্দটা আমরা অনেকেই ছোট থেকে শুনে আসছি কম বা বেশি।  ছোট থেকে  জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত কাজের সঙ্গে ভয় দেখানোর জন্য পরিবারের গুরুজনেরা  এই বিষয়টা আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে  দিয়েছে। ভূত নাই এই কথাটা বলা একেবারেই ভুল।কারণ  বিভিন্ন সময় আমরা বিভিন্ন ভাবে তার প্রমাণ পেয়েছি। পেয়েছি তাদের অস্তিত্ব আনাচে-কানাচে। এমনই এক জায়গার কথা আজকে আমরা জানবো। যার আছে কিছু ইতিহাস। আমাদের অনেকের কাছেই অজানা ইতিহাস আবার অনেকেই জানি। এই  কাহিনী এমন এক রেলস্টেশনের যা প্রায় 42 বছর বন্ধ ছিল। কোন ট্রেন থামে নি গত 42 বছর ধরে। এটি কলকাতা আর ঝাড়খণ্ডের যুক্ত করার এক প্রধান রেল লাইন ছিল যার ইতিহাস আমরা আজকে জানবো। ট্রেন না  থামার কারণ ছিল একটি মেয়ে। যে স্টেশন মানুষের সুবিধার জন্য তৈরি হয় সেই স্টেশন শুধুমাত্র একটি মেয়ের জন্য অভিশপ্ত আজও। স্টেশন অবস্থিত ওয়েস্ট বেঙ্গল এর রাজধানী কলকাতা থেকে প্রায় 250 কিলোমিটার দূর পুরুলিয়া জেলার বেগুনকোদর নামক একটি গ্রামে। এই গ্রামটি পুরুলিয়া শহর অঞ্চল থেকে প্রায় 40 থেকে 45 কিলোমিটার ভেতরে অবস্থিত। 
 সালটা ছিলো  1960  সেই সময় বেগুনকোদর গ্রামে কোন স্টেশন ছিলনা। রেললাইন ছিল কিন্তু স্টেশন ছিল খুব দূরে। গ্রামবাসীকে ট্রেন ধরার জন্য 25 থেকে 30 কিলোমিটার দূরে যেতে হতো। এর জন্য বেগুনকদর এবং তার আশপাশের গ্রামের  মানুষদের অসুবিধায় পড়তে হতো। সকল গ্রামবাসীরা মিলে এক রেলস্ট্রেশন এর আবেদন জানায় সরকারের কাছে। 1962 সালে একটি স্টেশন স্থাপিত হয়। খুব বড়ো ছিলনা এই স্টেশন  কিন্তু এখানকার স্থানীয় গ্রামবাসীদের জন্য  ঠিকই  ছিল।1962 সালেই চালু করে দেওয়া হয় এই স্টেশন। সেই সময় বেগুনকোদর গ্রামের মানুষেমানুষের  যে অসুবিধা  হচ্ছিল।  সেই অসুবিধা নিমূল হয়ে গেল।ট্রেন আসতো স্টেশনে থামতো কিছু মানুষ উঠতো কিছু মানুষ নামতো।  সবই ঠিক ছিল।শুধুমাএ 5 বছর এর জন্য।
1967 সালে মোহন নামে স্টেশন মাস্টারের পোস্টিং হয় স্টেশনে। তিনি ওখানকার সরকারি কোয়াটারে থাকতো।প্রথম ব্যক্তি যে  ছিলেন সাক্ষী। তিনি হঠাৎ একদিন একটি মেয়েকে ফুটতে দেখে ট্রেনের সঙ্গে। প্রথম দিন তিনি অতটা পাত্তা দেয়নি। কিন্তু পরের দিন যখন তিনি আবার একই ঘটনা ঘটতে দেখে তখন তিনি একটু অবাক হয়ে যায়। লক্ষ্য করেন মেয়েটি ট্রেনের সঙ্গে ছুটছে কিন্তু ট্রেনে উঠছে না। সেদিনও পাত্তা দেননি ভেবেছিলেন হয়তো খেলছে মেয়েটির ট্রেনের সঙ্গে। পরের দিন সারাদিন সেই মেয়েটিকে স্টেশনে খুঁজতে থাকলেন। কিন্তু তাকে দেখতে পেলেন না কোথাও। রাত হতেই যখনই ট্রেনের  আগমন ঘটে তিনি আবারও মেয়েটিকে দেখতে পান। সেদিন তিনি একটু বেশি অবাক হন কারণ মেয়েটির সেদিন ট্রেনের সঙ্গে সঙ্গে ছিল না ট্রেনের আগে আগে ট্রেন লাইনে ছুটছিল। পরের দিন তিনি সহকর্মীদের সেই কথা বলে। অনেকেই সেটা বিশ্বাস করেননি। কিছুদিন পর মোহন অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তার মৃত্যু ঘটে। এখান থেকেই এই ঘটনা লোকমুখে প্রচার হতে শুরু করে। এরপর দ্বিতীয় স্টেশনমাস্টার আসে। তিনিও একই কথা বলেন। তিনি বলেন ততক্ষণ রাতের ট্রেন দেখতে পাওয়া যায় না পাওয়া যায় না। যখনই প্রেম দেখতে পাওয়া যায় এখনই মেয়েটিকেও ছুটতে দেখা যায়। কখনো ট্রেনের আগে আবার কখনো ট্রেনের সঙ্গে। দ্বিতীয়  স্টেশন মাস্টার যখন প্রথম স্টেশন মাস্টার মোহন এর মৃত্যুর ঘটনা শোনে তখন সে কাজ ছেড়ে পালিয়ে যায়। ফিরে আসে না। আর কিছু সময় পর তৃতীয়  মাস্টার  আসে এবং উনিও চলে যায়। সেখান থেকে কিছুদিনের মধ্যেই। এও বলেন যে তার পোস্টিং যে কোন অঞ্চলে হোক কিন্তু বেগুনকোদর স্টেশন এ জীবনেও না। এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর স্টেশনে আসা বন্ধ করে দিতে থাকে  স্থানীয় গ্রামবাসীরা। কর্মচারীরাও সব কাজে আসা বন্ধ করে দেয়। কারন অনেকেই পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। কোন মেয়েটিকে স্টেশনের নাচতে দেখা যায় কখনো আবার তাকে ট্রেনের সাথে ছুটতে দেখা যায়। দিনের আলোয় একটা দুটো  মানুষ কে স্টেশনে দেখা গেলেও  বিকেল পাঁচটার পর আশেপাশে কাউকে দেখা যেত না। এমন কি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও মেয়েটিকে অনেকবার দেখেছে। কিছু কিছু মানুষ এও বলে স্টেশনে একটি গাছ আছে মধ্যে তাকে বসে থাকতে দেখা যায়। এই ঘটনা ধীরে ধীরে raliwayএর ওপর মহলে এ পৌছায়। কলকাতায় যখন খবর এসে পৌঁছায়। তখন চেষ্টা করা হয় কেউ যাতে স্টেশনে গিয়ে কাজ করে কিন্তু কেউ রাজি হয়নি ওই স্টেশনে যেতে। অনেকে মন্তব্য করে "চাকরি ছেড়ে দেবো কিন্তু বেগুনকোদর স্টেশনে যাবনা। তখনো পর্যন্ত স্টেশনে ট্রেন থামত কিন্তু কোন যাত্রী উঠতো না আর কেউ নামতো না। এমকি স্থানীয় গ্রামবাসীরা আবার 25-30 কিলোমিটার দূর স্টেশন থেকেই ট্রেন ধরা শুরু করে। কিন্তু কখনও কেউ ভুলে বেগুনকোদর স্টেশনে যেত না। তাদের আবেদনে  এই স্টেশন  তৈরি হয় তারাই আসা বন্ধ করে দেয়। স্টেশনে স্টেশনমাস্টার নেই, সিগন্যালম্যান নেই, টিটি নেই এবং যাদের জন্য এই স্টেশন তারা নেই।  এর ফলে Raliwayএর ওপর মহল থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে স্টেশনটি বন্ধ করে দেয়া হবে। 1967 সালে স্টেশনটি বন্ধ করে দেয়। চালু হওয়ার ঠিক পাঁচ বছরের মধ্যেই। Raliway উপর মহল থেকে স্টেশনটি ভুতুড়ে বলে ঘোষিত করে দেওয়া হয় । এটা কোন মন গড়া কাহিনী নয় এটি indian Raliway official records এ লেখা আছে। এরপর বছরের পর বছর কেটে যায় তাও স্টেশন পুনরায়
(ছবি - সংগৃহীত)
 চালু হয় না।কিছু  নেতা-মন্ত্রীরা স্টেশন নিয়ে 
অনেক কথা বলেছেন।ওখানকার  লোকাল 
MLA  যার অধীনে বেগুনকোদর স্টেশন ছিল।
তিনি বলেন সত্যিই একটি মেয়ে আত্মা বসবাস
করে। যারা এই মেয়েটিকে দেখেছে অসুস্থ হয়ে 
পড়েছে পরবর্তী সময়ে। এমনকি ঝাড়খণ্ডের 
ডেপুটি CM সুধীর মাহাত্য উনি একই কথা 
বলেছিলেন। যেখানে সরকার নিজেই মেনে 
নিয়েছিল সেখানে সাধারণ মানুষও মেনে নেয়। 
সময়ের সঙ্গে মানুষের মধ্যে এতটাই ভয় সৃষ্টি 
হয়েছিল।যখন কোনো ট্রেন বেগুনকোদর 
স্টেশন দিয়ে যেত তখন স্টেশনে দাঁড়ানো তো দূরের কথা  4-5 কিলোমিটার থেকে ডাইভার ট্রেনের গতিবেগ বাড়িয়ে দিত যাতে স্টেশনে ট্রেন না থামে।স্টেশন আসার আগে সমস্ত যাত্রীরা জানালা বন্ধ করে রাখতো এবং খেয়াল রাখতো যাতে কেউ ভুল করে স্টেশনের দিকে না তাকায়। সাধারনত যেসব যাত্রীরা দরজার কাছে দাড়িয়ে যাতায়াত করতো তারাও দরজা বন্ধ করে দিত। মেনে নিলাম বেগুনকদর স্টেশনে ভূত আছে।  একটি মেয়েকে সেখানে ঘুরতে দেখা যায়।কিন্তু কে সেই মেয়ে? ওখানকার স্থানীয় গ্রামবাসীদের প্রশ্ন করে করলে জানা যাবে  সবার একই উত্তর  চলন্ত ট্রেনে একটি মেয়ে পড়ে মৃত্যু ঘটেছিল। তারপর শুরু হয়। হয়তো মেয়ে টি কোথাও যাওয়ার জন্য ট্রেন ধরতে এসেছিল। এখনো যখন ট্রেন আসে আত্মা ছুটতে থাকে ট্রেনের সাথে। অন্যদিকে যখন কলকাতায় এই খবর এসে পৌঁছায়। তখন কলকাতার কিছু Travel Agencyপর্যটকদেরএই সব জায়গা থেকে শুরু করে অর্থ উপার্জন করতে    
(ছবি - সংগৃহীত )
থাকে দিনের আলোয়। আস্তে আস্তে আরও সময়  কেটে যায়। কেটে যায় 30-40 বছর।মিডিয়ার মাধ্যমে কলকাতার কাহিনী ছড়িয়ে যেতে থাকে। এরপর কলকাতা থেকে Paranormal Society of  India থেকে একটি দল স্টেশনে গিয়ে সারা রাত  কাটানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর 11 জনের একটি দল ক্যামেরা এবং K2miter(যার দ্বারা আত্মার অস্তিত্ব বোঝা যায়) নিয়ে উপস্থিত হয় বেগুনকোদর গ্রামে। তারা সারা দিন সকালে স্থানীয় গ্রামবাসী বক্তব্য শুনে। গ্রামবাসীরা তাদের স্টেশনে রাত কাটাতে নিষেধ করে। তারা সারা রাত কাটায় কিন্তু কোন কিছু দেখতে পায় না এবং কিছু অনুভব করতে পারেনি সেদিন রাতে। 1967 এরপর প্রথম সেদিন কোন মানুষ আবার স্টেশনে রাত কাটায়।এরপর তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী মিডিয়ার মাধ্যমে ঘোষণা করা হয় যে এখানে কোন ভুতুড়ে ব্যাপার নাই। যেহেতু ঘটনার 42 বছর কেটে যায় তাই মানুষের চিন্তা ধারাও বদলায়। তৎকালীন সময়ে রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনি টিভি চালু করেন 2009 সালে। সবকিছু সাধারণ হয়ে যায়। কিন্তু  আজও সন্ধ্যা পাঁচটার পর  কোন মানুষ থাকে না এবং কোন ট্রেন থামে না।। শুধুমাত্র একটি  অদৃশ্য মেয়ের জন্য।
 
                                            (বর্তমানে বেগুনকোদর স্টেশনের ছবি - সংগৃহীত )

কলমে - মৌ পারুই ।

Tuesday, June 1, 2021

জন্মদিন শুভ হোক 'মহীনের ঘোড়া গুলির" সৃষ্টীর অন্যতম জন্মদাতা;


কলকাতার পেসিডেন্সির কলেজে পড়াকালীন তাঁর এক নতুন জীবনের শুরু হয় । বাদবাকি আগের জীবনটা আমার আপনার মতোই সাধারণ । ছোটোবেলা থেকেই গানবাজনার সখ ছিলো তাঁর ।তাঁর ভাই এবং মহীনের ঘোড়াগুলি অন্যতম সদস্য প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, “মণিদা (গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের ডাক নাম) সবই বাজাতে পারত। যে কোনও ইনস্ট্রুমেন্টই খুব সহজে বাজিয়ে ফেলত তালিম ছাড়াই।" প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াকালীন বাড়ির হাওয়াইয়ান গিটারটি স্প্যানিশ গিটারে রূপান্তরিত করে এবং প্রচুর ইংরেজী ভাষার গান শুনে নিজেকে বিশ্বসঙ্গীতের সাথে পরিচয় ঘটান। কাউন্টার কালচারের বিদ্রোহের যারা আদর্শ ছিলেন, যেমন- বিটলস্, রোলিং স্টোনস্, বব ডিলান, জিম মরিসনদের গান তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছেন। অ্যাংলো ইন্ডিয়ান বন্ধুদের নিয়ে তৈরি করলেন ‘আর্জ’ নামের একটি ব্যান্ড। একসময় গৌতমের মনে হল যেসব অডিয়েন্স তাদের শুনছে তা তথাকথিত প্রিভিলেজড শ্রেণীর । তাই আর ব্যান্ডটি বেশিদিন টেকেনি । সত্তরের দশকের সংগ্রামের আগুন ছড়িয়ে পড়ল পশ্চমবঙ্গের নকশালবাড়িতে যা নকশাল আন্দলোন নামে পরিচিত । ১৯৬৯-৭০ সালের দিকে নকশাল আন্দলোনের সাথে মনেপ্রানে জড়িত হয়ে পড়েন । ফলে তাকে পালিইয়ে বেড়াতে হয় । হঠাত একদিন বাড়িতে মায়ের সাথে দেখা করতে এলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেন । এরপর তাকে পুলিশী জেলে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় । তিনি এত নির্যাতনের পর আন্দলোনের কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি । জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পড় তিনি বাড়িতে বাংলা ব্যান্ডের আসর বসাতেন । এখানে তাঁর বন্ধু থেকে শুরু করে তার ভাইও থাকতেন ।গৌতম চট্টোপাধ্যায় ছিলেন ব্যান্ডের আদিস্রষ্টা। তিনিসহ তার ভাই প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়,তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়,রঞ্জন ঘোষাল, তাপস দাস,এব্রাহাম মজুমদার, বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় এই সাতজন মিলে শুরু করেছিলেন এই আন্দোলন। তাদের দল ছিলো সাতজনের তাই প্রথমে এই গানের দলের নাম ছিলো ‘সপ্তর্ষি’।তৎকালীন সময়ে ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র শ্রোতাপ্রিয়তা এখনকার মতো অর্থাৎ ২০০০ পরবর্তী সময়ের আবহে ছিলো না। তারা সময় থেকে এগিয়ে থাকায় গতানুগতিক শ্রোতারা তাদের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগে তুলে পাশ কাটিয়ে গিয়েছিলেন। শুরু হওয়ার পর ১৯৭৬ থেকে ১৯৮১ এই ছয় বছর মাত্র মহীনের ঘোড়াগুলিকে বিচরণ করতে দেখা গিয়েছিলো। তারপর দীর্ঘসময়ের জন্য ঘোড়াগুলি ছিলো লোকচক্ষুরে আড়ালে, আস্তাবলে-যে যার জীবিকায়। ৮১ সালে ব্যান্ড ভাঙার আগের সাত বছরে তিনটা এ্যালবামে মাত্র আটটি ১৯৭৫ সালের ভাইফোঁটার অনুষ্ঠানে পর্নশ্রী ক্লাবে ছিলো তাদের প্রথম শো ।তারপর কোনো এক অনুষ্ঠানে হটাৎ তাদের ব্যান্ডের নাম "গৌতম চ্যাটার্জি বিএসসি অ্যাান্ড সম্প্রদায় " হয়ে গেলো । এরপর একদিন আড্ডায় ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য রঞ্জন ঘোষাল জীবনান্দ দাশের 'ঘোড়া' কবিতাটি পড়ে "মহীনের ঘোড়াগুলি" নামের প্রস্তাব দেন । এবং এই নামটি সবাই গ্রহন করে নেন ।গান,পনেরো-বিশটা অনুষ্ঠান আর রেকর্ড না হওয়া কয়েকটা গান-এইগুলোই ছিলো মহীনের ঘোড়াগুলির সম্বল। শুধু গানেই নয়, স্টেজ শো-গুলোতেও তাঁদের উপস্থাপনা ছিলো ব্যতিক্রমধর্মী৷ তাঁদের কনসার্টের টিকিটগুলো ছিলো অন্যরকম। কখনো সেগুলো ছিলো ডাকটিকিটের মতো, কখনো সেখানে থাকতো সকল সদস্যের আঙুলের ছাপ৷ পরবর্তীতে ৯০ এর দশকের শুরুতে কলকাতায় যখন অন্যরকম গান শোনার প্রচলন শুরু হয় তখন মহীনের ঘোড়াগুলির চিন্তাভাবনাগুলি নতুন প্রজন্ম নতুনরুপে গ্রহণ করেছে জেনেই ১৯৯৫ সালে গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে আবারো মহীনের ঘোড়াগুলি ফিরে আসে।


জীবনানন্দ দাশের এই ‘ঘোড়া’ কবিতাটির অন্য একটা বিশেষত্ব আছে বলে মনে হয়। এটা লেখার দুই-তিন দশক পরের এক কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তর থেকে কলকাতায় নেমে এসেছিলো সংবিগ্ন একদল ঘোড়া। সেই তখন থেকেই ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র নালহীন খুরের আওয়াজ, হ্রেষাধ্বনি, টগবগানো শুনছে বাংলা গানের গলিতে পায়চারী করা অসংখ্য শ্রোতা।

‘আমরা যাইনি মরে আজো– তবু কেবলই দৃশ্যের জন্ম হয়ঃ
মহীনের ঘোড়াগুলো ঘাস খায় কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে,
প্রস্তরযুগের সব ঘোড়া যেন– এখনও ঘাসের লোভে চরে
পৃথিবীর কিমাকার ডাইনামোর’ পরে।’

Friday, January 8, 2021

TODAY RELEASE THE GREAT SOUTH INDIAN MOVIE TRAILER "KGF 2 TEASER".

  Written by - Prashant singh.                                   Edited by - Harish Dugh.

KGF 2 Trailer, Teaser, Movie Launch Date, Time: The stage is all for the teaser of highly-awaited KGF Chapter 2! Director Prashanth Neel has confirmed that the teaser of the Yash and Sanjay Dutt-starrer KGF Chapter 2 will be unveiled on January 8, 2021.
                                                                                                                                                       
KGF 2 Teaser Launch Date: -January 8, 2021                           KGF 2 Teaser Launch Time:- 10:18 AM                                                                                                                                                                                                                                    KGF 2 Teaser: Where to watch: On YouTube handle of Hombale Films.   

 https://www.youtube.com/user/HombaleNinnindale

                                                                                          

Peral - এর বেলের আবেদন খারিজ করলো VASAI COURT ;

  কলমে - Shrestha Dey Pearl V Puri Case - এ নতুন মোড় । ১১ বছরের নাবালিকাকে molestation এর অপরাধে Pearl -কে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়...